সাধারণ খেলোয়াড় থেকে ভিআইপি সদস্য হওয়ার পথটা ppvi8-এ এতটাই সহজ যে অনেকেই প্রথম মাসেই তাদের প্রথম স্তর অর্জন করে ফেলেন। প্রতিটি বাজি, প্রতিটি গেম আপনাকে একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে যায় — আর সাথে আসে আরও ভালো ক্যাশব্যাক, দ্রুততর সেবা ও বিশেষ সুবিধা।
ppvi8-এ মোট পাঁচটি ভিআইপি স্তর আছে — প্রতিটি স্তরে আগেরটির চেয়ে বেশি সুবিধা
ppvi8 ভিআইপি সদস্যরা যে সুবিধাগুলো প্রতিদিন উপভোগ করেন
প্রতি ৳১০০ বাজিতে ১০ পয়েন্ট — পয়েন্ট দিয়ে স্তর আনলক করুন ও বোনাস রিডিম করুন
পয়েন্ট কখনো মেয়াদ শেষ হয় না — আপনার গতিতে এগিয়ে যান
ppvi8-এ বিনামূল্যে একটি একাউন্ট খুলুন। মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে মাত্র ২ মিনিটে প্রক্রিয়া শেষ।
ক্রিকেট, ফুটবল বা যেকোনো গেমে বাজি ধরুন। প্রতি ৳১০০ বাজিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ পয়েন্ট যোগ হয়।
নির্দিষ্ট পয়েন্টে পৌঁছালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী স্তরে উন্নীত হবেন। কোনো আবেদন করতে হয় না।
স্তর অনুযায়ী ক্যাশব্যাক, বোনাস ও বিশেষ সেবা সরাসরি আপনার একাউন্টে সক্রিয় হয়ে যায়।
প্রতিটি ভিআইপি স্তরের সুবিধা একনজরে দেখুন
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড | রয়েল |
|---|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১২% | ১৮% | ২৫%+ |
| উইথড্রয়াল সময় | ১৫ মিনিট | ১০ মিনিট | ৫ মিনিট | ৩ মিনিট | তাৎক্ষণিক |
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | |||||
| উইথড্রয়াল ফি | স্বাভাবিক | কমানো | ০ ফি | ০ ফি | ০ ফি |
| জন্মদিন বোনাস | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট |
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে ভিআইপি প্রোগ্রামের কথা অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু সব জায়গায় সেটা সত্যিকার অর্থে কাজ করে না। ppvi8 এই ব্যাপারটাকে আলাদাভাবে দেখে। এখানে ভিআইপি মানে শুধু একটা লেবেল নয় — এটা একটা সম্পর্ক, যেখানে আপনি যত বেশি এগিয়ে যাবেন, ppvi8 ততটাই বেশি আপনার পাশে থাকবে।
বাংলাদেশের অনেক খেলোয়াড় আগে অন্য প্ল্যাটফর্মে বড় জিতেও উইথড্রয়ালের সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন, কিংবা কাস্টমার সার্ভিসে কথা বলতে গিয়ে ইংরেজিতে হিমশিম খেয়েছেন। ppvi8-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম এই সমস্যাগুলো সরাসরি সমাধান করে। প্লাটিনাম স্তর থেকে একজন নির্ধারিত বাংলাভাষী ম্যানেজার পাওয়া যায়, যিনি শুধু আপনার একাউন্টের বিষয়গুলো দেখেন।
ক্রিকেট মৌসুম হোক বা ফুটবল বিশ্বকাপ — বড় ম্যাচের আগে ppvi8 ভিআইপি সদস্যদের জন্য বুস্টেড অডস ও বিশেষ অ্যাক্সেস দেওয়া হয়। এই সুবিধাগুলো সাধারণ সদস্যরা পান না। তাই অনেকেই বলেন, একবার ভিআইপি মেম্বারশিপের স্বাদ পেলে আর সাধারণ একাউন্টে ফিরে যেতে মন চায় না।
পয়েন্ট সিস্টেমটাও বেশ সহজ। বাজি ধরুন, পয়েন্ট সংগ্রহ করুন, স্তর আনলক করুন — এটুকুই। আলাদা কোনো ফর্ম পূরণ করতে হয় না, আলাদা কোনো আবেদন করতে হয় না। একাউন্টে লগইন করলে সরাসরি দেখতে পাবেন আপনি কত পয়েন্টে আছেন এবং পরবর্তী স্তর পেতে কতটুকু বাকি।
অনেকে মনে করেন ভিআইপি হতে গেলে প্রচুর টাকা লাগে। ppvi8-এ বিষয়টা আসলে নিয়মিততার ব্যাপার। ছোট ছোট বাজি নিয়মিত ধরলেও পয়েন্ট জমে, এবং সিলভার স্তরে পৌঁছানো কোনো কঠিন কাজ নয়। বাংলাদেশের অনেক মধ্যবিত্ত খেলোয়াড় মাত্র দুই-তিন মাসের মধ্যে গোল্ড স্তরে উঠে গেছেন শুধু নিয়মিত ক্রিকেট বেটিংয়ের মাধ্যমে।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক ব্যাপারটা নিয়ে একটু বলা দরকার। ধরুন এক সপ্তাহে আপনার মোট বাজি হয়েছে ৳১০,০০০। সেই সপ্তাহে আপনার নেট ক্ষতি হয়েছে ৳২,০০০। গোল্ড স্তরে থাকলে আপনি সেই ৳২,০০০-এর ৮% অর্থাৎ ৳১৬০ ফেরত পাবেন। সংখ্যাটা ছোট মনে হলেও মাস শেষে এই ক্যাশব্যাক বেশ কাজে আসে, এবং ডায়মন্ড স্তরে গেলে এই সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছে যায়।
রয়েল স্তরটি সম্পূর্ণ আমন্ত্রণমূলক এবং ppvi8-এর সবচেয়ে সক্রিয় ও বিশ্বস্ত খেলোয়াড়দের জন্য সংরক্ষিত। এই স্তরের সুবিধাগুলো প্রতিটি সদস্যের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা হয়। কতটা পাবেন সেটা নির্ভর করে আপনার ও ppvi8-এর পারস্পরিক সম্পর্কের উপর।
"গোল্ড স্তরে আসার পর থেকে উইথড্রয়াল অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতাম, এখন বিকাশে মাত্র ৭-৮ মিনিটে টাকা চলে আসে। ppvi8 সত্যিই কথা রাখে।"
"প্লাটিনামে ওঠার পর একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার পেয়েছি। যেকোনো সমস্যা হলে সরাসরি মেসেজ করি, খুব দ্রুত সমাধান হয়ে যায়। এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় সুবিধা।"
"ঈদের সময় ppvi8 আমাকে একটা বিশেষ বোনাস দিয়েছিল — সেটা একদম অপ্রত্যাশিত ছিল। ডায়মন্ড মেম্বার হিসেবে প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাকও বেশ ভালোই পাচ্ছি।"
নিবন্ধন করুন, খেলুন, পয়েন্ট সংগ্রহ করুন — আর প্রতিটি স্তরে নতুন সুবিধা আনলক করতে থাকুন। শুরু করতে এক মিনিটও লাগে না।